Press "Enter" to skip to content

নরকের দরজা বন্ধ করতে চায় তুর্কমেনিস্তান

আসগাবাত : নরকের দরজা এই অঞ্চলের নাম। এটি তুর্কমেনিস্তানের আরেকটি বিখ্যাত পর্যটন গন্তব্য। যাইহোক, কিছু মাইনিং অপারেশনের সময় নরকের দরজার এলাকাটি তৈরি করা হয়েছিল।

আসলে এই জায়গায় একটা গভীর গর্তে একটানা আগুন জ্বলছে। এটি দেখতে দেশ-বিদেশ থেকে পর্যটকরা এখানে আসতে থাকেন। এখন আবার এই জায়গার আগুন নেভাতে রাষ্ট্রপতির নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

যদিও এর আগেও এ ধরনের প্রচেষ্টা করা হয়েছে কিন্তু তাতে কোনো সাফল্য আসেনি। এটা বিশ্বাস করা হয় যে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতির জন্য, তুর্কমেনিস্তান শুধুমাত্র তার গ্যাস রপ্তানি বাড়াতে এই অগ্নিকাণ্ডের এলাকা বন্ধ করে গ্যাস সংরক্ষণ এবং পরিবেশের ক্ষতি রোধ করতে চায়।

লাগাতার আগুনের কারণে সেখানকার পরিবেশেরও অনেক ক্ষতি হচ্ছে, এমনটাই বিজ্ঞানীদের মূল্যায়ন। তুর্কমেনিস্তানে এই এলাকাটি দরওয়াজা নামে পরিচিত।

নরকের এই দরজাটি কারাকুম মরুভূমির মাঝখানে অবস্থিত। এটি কখন এবং কীভাবে গঠিত হয়েছিল সে সম্পর্কে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য নেই।

তবুও, এটি অবশ্যই দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। এটাও বলা হয় যে ১৯৭৯ সালে, সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ থাকাকালীন একটি খনন করার সময় এই গর্তটি তৈরি হয়েছিল।

নরকের দরজা সম্ভবত গ্যাসের মজুদের উপরে

অন্যদিকে, ২০১৩ সালে কানাডিয়ান বিজ্ঞানী জর্জ কোরোনস যখন এটি নিয়ে তদন্ত করেন, তখন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কানাডিয়ান বিজ্ঞানীরা আসলে এর গভীরতা পরিমাপ করতে চেয়েছিলেন। এখন রাষ্ট্রপতি গুরবাঙ্গুলী বের্দিমুখমেদভ এটি বন্ধ করতে চান।

স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, এই গভীর গর্তটি ১৯৬০ সালে দেখা গেলেও এতে আগুন লাগার বিষয়টি ১৯৮০ সাল থেকে রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে বহুবার এই গভীর গর্তের আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হলেও প্রতিবারই সে সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

বৈজ্ঞানিক অনুমান অনুসারে, নরকের এই দরজাটি আসলে গ্যাসের বিশাল আধারের উপরে অবস্থিত। ভিতর থেকে ক্রমাগত গ্যাস বের হওয়ার কারণে প্রতিনিয়ত আগুন লেগেই থাকে।

তুর্কমেনিস্তানের প্রেসিডেন্ট দেশটির অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে এই গ্যাসের মজুদ ব্যবহার করতে চান।

Spread the love
More from HomeMore posts in Home »
More from আজব খবরMore posts in আজব খবর »
More from নতূন খবরMore posts in নতূন খবর »
More from পরিবেশMore posts in পরিবেশ »
More from রাজনীতিMore posts in রাজনীতি »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *