Press "Enter" to skip to content

পর্যটকে মুখর সৈকত নগরী কক্সবাজার

আমিনুল হক

ঢাকা : পর্যটকে মুখর সৈকত নগরী কক্সবাজার করোনা আর ওমিক্রনের চোখ রাঙানিতে বছর দুই ধরে সকল উৎসব বন্ধ। এবারে বর্ষবিদায় ও বরণ দুটোই নিষিদ্ধ করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। মানুষকে রক্ষায় লোক সমাগম নিষিদ্ধ সত্ত্বেও বাংলাদেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজারে পর্যটকের পদভারে মুখরিত।

উন্মুক্ত স্থানে হয়তো থার্টি ফার্স্ট নাইট পালন সম্ভব নয়, তাই বলে কি বর্ষ বরণ আয়োজন হবে না? গত কয়েক দিনে ঢাকার হাজারো পর্যটক পৌঁছেন কক্সবাজারে। শ’ শ’ বাসের গন্তব্য ছিলো বাণিজ্য নগরী চট্টগ্রাম পেরিয়ে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের পথে। মাথার ওপরে উদার আকাশ। নীচে সমুদ্রের অথৈ জলরাশি।

হাটু অবধি নীল জলের ঢেউ আছড়ে পড়া। এনিয়েই আনন্দে মেতেছেন দু’দিন আগে আসা পর্যটকরা। তবে থার্টি ফার্স্ট নাইেটে সীল করা থাকবে সমুদ্র সৈকত। কক্সবাজারে প্রায় সাড়ে চারশ হোটেল রয়েছে। এখানে দেড় লাখ পর্যটকের আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে। এসব হোটেলের সবগুলোই কানায় কানায় ভর্তি।

সমুদ্র সৈকতে নীল জলে পা ডুবিয়ে হয়তো বর্ষবরণ হবেনা, তাই বলেতো বছরের শেষ এবং নতুন বছরের হিসাব-নিকেশের আয়োজন তো হতেই হবে। এসব কিছু মাথায় রেখেই নিয়ম রক্ষায় আয়োজন করছে কক্সবাজারের তারকা হোটেলগুলো। তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ইনডোর প্রোগ্রাম আয়োজন করছে।

পর্যটকে আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে

পর্যটকে মুখর সৈকত নগরী কক্সবাজার

হোটেলের অতিথি, বিদেশি পর্যটক এবং বিশেষ মেহমান ব্যতীত এসব অনুষ্ঠানে আবার সাধারণের উপস্থিতির সুযোগ নেই। শুক্র-শনি দু’দিনের সপ্তাহিক ছুটি। এসময় পর্যটকে ভরপুর কক্সবাজার।

একইভাবে প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন, টেকনাফ, ইনানী, হিমছড়িসহ গোটা জেলার পর্যটন স্পটে উপস্তিত পর্যটকদের। কক্সবাজারের পর্যটন সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রতি বছর থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনে লোকারণ্য হয়ে ওঠে কক্সবাজার।

বিগত দেড় দশকে এমন পরিচিত চিত্রই তারা দেখেছেন। এবারেও থার্টি ফার্স্ট এবং বিদায়ী বছরের শেষ সূর্যাস্ত দেখতে কক্সবাজার সৈকত ও আশপাশের পর্যটন এলাকায় অতিথি ও স্থানীয় মিলিয়ে কয়েক লাখ পর্যটক সমাগম হবার প্রত্যাশা।

কক্সবাজার পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানিয়েছেন, থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনে আতশবাজি, পটকা ফুটানো যাবেনা। নিষিদ্ধ রয়েছে উন্মুক্ত স্থানের অনুষ্ঠান। রাত ১২টার পর উচ্চ স্বরে কোনো মাইক কিংবা সাউন্ড বাজানোও নিষেধ।

থার্টি ফার্স্ট নাইট ও বর্ষবরণকে কেন্দ্র করে জেলা পুলিশের তরফে নেওয়া হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তার। ৩১ ডিসেম্বর সকাল থেকে জেলা পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা শুরু হয়ে তা থাকছে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত।

Spread the love
More from দেশMore posts in দেশ »

One Comment

  1. […] পর্যটকে মুখর সৈকত নগরী কক্সবাজারআমিনুল হক ঢাকা : পর্যটকে মুখর সৈকত নগরী কক্সবাজার করোনা আর ওমিক্রনের চোখ রাঙানিতে বছর দুই … […]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *