Press "Enter" to skip to content

কোভিড নিয়ে মজা করে পার্টি করছিল, একজন মরেছে বাকিরা আইসিইউতে

  • জাতীয় খবর

রোম: কোভিড নিয়ে ঠাট্টা করে পার্টি করার ঠেলা বোঝা গেছে।এই পার্টিতে থাকা একজন মারা গেছেন, বাকিদের বেশিরভাগই বর্তমানে উত্তর ইতালির বলজানো প্রদেশের হাসপাতালে ভর্তি এবং আইসিইউতে রয়েছেন।

তাদের সবারই এখন শ্বাস-প্রশ্বাসে খুব সমস্যা হচ্ছে। অন্যদিকে, নিয়ম ভঙ্গ করে কোভিডকে নিয়ে এভাবে মজা করে পার্টি করার জন্য পুলিশ এই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলাও দায়ের করেছে।

এই একটি ঘটনা থেকে এটা স্পষ্ট হয়ে গেছে যে অনেকেই টিকা নিতে চান না এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় কোভিড নিয়ে প্রচারকে প্রতারণা বলে বিশ্বাস করেন।

এই চিন্তায় করোনার শিকার এসব মানুষদের নামে একটি পার্টির আয়োজন করা হয়। এখন ফলাফল সবার সামনে। কোভিডকে নিয়ে ঠাট্টা করে আয়োজিত পার্টিতে যে ব্যক্তি মারা গেছেন তিনি মূলত অস্ট্রিয়ার বাসিন্দা।

তিনি নিয়মিত সীমান্ত অতিক্রম করে ইতালিতে যান। এই এলাকায় ভ্যাকসিন নেন না এবং মাস্ক পরেন না এমন মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। এমনকি অভিভাবকরাও তাদের সন্তানদের টিকা দিতে দিচ্ছেন না।

এর পরেও এখানকার লোকদের কাজের জন্য একটি সবুজ পাস দরকার, যা টিকা দেওয়ার পরেই দেওয়া হয়। এমন এলাকায় মানুষ জনাকীর্ণ এলাকায় টিকা ছাড়াই যাচ্ছে।

কোভিড নিয়ে ছেলেখেলা করার জন্য রোগ ছড়াচ্ছে

কোভিডকে নিয়ে মজা করার জন্য আয়োজিত পার্টিতে করোনা গাইড লাইনের প্রতিটি নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছিল। এমনকি দলের উপস্থিত লোকজনও একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করেন।

এখন শ্বাসকষ্টের কারণে বেশিরভাগ মানুষই আইসিইউতে ভর্তি রয়েছেন। পার্টিতে যোগ দেওয়ার পরে হাসপাতালে ভর্তি একজন রোগী বলেছিলেন যে তিনি নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য দুঃখিত কিন্তু তিনি এখনও স্বীকার করতে প্রস্তুত নন যে তিনি কোভিড দ্বারা সংক্রমিত হয়েছেন।

এই এলাকায় এমন চিন্তার মূল ভিত্তি হল সোশ্যাল মিডিয়ায় চলমান করোনা বিরোধী অপপ্রচার, যা এলাকার অধিকাংশ মানুষ সত্য বলে বিশ্বাস করেন।

এই লোকদের মতে, আসলে করোনা নামে কোনো রোগ নেই। কোভিড নিয়ে ঠাট্টা করার পার্টির তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর জানা যায়, দক্ষিণ টাইরল এলাকায়ও এই ধরনের পার্টি হচ্ছে।

অস্ট্রিয়ান সীমান্ত সংলগ্ন এই এলাকার বেশিরভাগ মানুষই জার্মান ভাষাভাষী মানুষ যারা করোনা মহামারী মেনে নিতে প্রস্তুত নয়।

এ কারণে এখানে টিকাদানও খুব কম হয়েছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সেখানে করোনা রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।

Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *