Press "Enter" to skip to content

কাঁকড়ার একটি দল কে বাঁচাতে অনেক রাস্তা বন্ধ

ক্রিসমাস আইলেন্ড : কাঁকড়ার একটি দল রাস্তা দিয়ে হামাগুড়ি দিচ্ছে। আসলে এটি তাদের বার্ষিক অভিবাসনের মৌসুম। সাম্প্রতিক সময়ে তাদের জনসংখ্যা হ্রাস পাওয়ার পরে এটি সম্পূর্ণ মনোযোগ পেয়েছে।

এ কারণে এ এলাকার অনেক সড়কই আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। যাতে এসব রাস্তায় চলার সময় কাঁকড়াগুলো সামনের দিকে যাওয়ার পথ পায়।

আগে যান চলাচল বন্ধ না হলে যানবাহনের নিচে পড়ে মারা যায় লাখ লাখ কাঁকড়া। জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে হ্রাসের পর, এখন এর দিকে পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে।

এই কাঁকড়ার সংখ্যা আবার বাড়তে শুরু করায় গত কয়েক বছর ধরে করা এই পরীক্ষা সফল বলে মনে হচ্ছে। তাদের বার্ষিক অভিবাসনের সময়, লাল রঙের কাঁকড়া সমুদ্র উপকূলের দিকে চলে যায়।

এখন রাস্তা বন্ধ থাকায় তারা অনেকটা স্বাচ্ছন্দ্যে এগিয়ে যাচ্ছে তাদের গন্তব্যের দিকে। এদিকে রাস্তা বন্ধ থাকায় তারাও শব্দদূষণের ঝুঁকিতে পড়ছেন না। অন্যদিকে পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের দল ক্রমাগত এই কাঁকড়ার বার্ষিক স্থানান্তরের উন্নয়ন পর্যবেক্ষণ করছে।

এরই ধারাবাহিকতায় এসব প্রাণীর অদ্ভুত অদ্ভুত কর্মকাণ্ডও দেখা যাচ্ছে। এলাকাটি নির্জন হলেও এই প্রজাতিটিকে তার পথে নির্মিত সেতুর ওপর দিয়েই নদী পার হতে দেখা গেছে।

তা না হলে আগে তারা সাঁতরে নদী পার হতেন। তাদের আচরণের এই পরিবর্তন বিজ্ঞানীদেরও অবাক করে দিচ্ছে।

কাঁকড়ার এই বার্ষিক স্থানান্তর প্রতি বছর সঞ্চালিত হয়

পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার এই দ্বীপে প্রতি বছর ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে এই বার্ষিক অভিবাসন শুরু হত। এবার তা সময়ের আগেই শুরু হয়েছে।

এই পরিবর্তনের কারণে অমৌসুমি বৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। লক্ষ লক্ষ এই ক্ষুদ্র প্রাণী তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে সমুদ্রের দিকে চলে যায় তাই সমুদ্রের দিকে যাওয়ার প্রতিটি রাস্তায় তাদের হামাগুড়ি দিতে দেখা যায়।

স্ত্রী কাঁকড়া বাচ্চা না হওয়া পর্যন্ত সমুদ্র সৈকতে থাকে, আর পুরুষ কাঁকড়া তাদের বাড়িতে ফিরে আসে। আমরা আপনাকে বলি যে একটি স্ত্রী কাঁকড়া বছরে এক লাখের বেশি ডিম দিতে পারে।

যাইহোক, এই ডিমগুলির বেশিরভাগই অন্যান্য প্রাণীর শিকার হয়। তা সত্ত্বেও সড়কে যানবাহন চলাচলের কারণে তাদের জনসংখ্যা আবারও বাড়ছে বলে মনে হচ্ছে।

Spread the love
More from অস্ট্রেলিয়া মহাদ্বীপMore posts in অস্ট্রেলিয়া মহাদ্বীপ »
More from নতূন খবরMore posts in নতূন খবর »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *