Press "Enter" to skip to content

নির্বাচন থামিয়ে মমতা কে তার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র

  • উপ নির্বাচনের মামলায় নির্বাচন কমিশন নীরব
  • এলাকায় আলোচনা শুরু হয়েছে
  • বিজেপিও মমতার আগ্রাসনে বিরক্ত

জাতীয় খবর

কলকাতা: নির্বাচন থামিয়ে পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে

সরিয়ে দেওয়ার আলোচনা জোরালো হয়ে উঠেছে।এটা বোঝা যায় যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বিপুল বিজয়ের পর, বিজেপি নেতৃত্ব এই ভাবেও মমতার শক্তি কে দুর্বল করতে চায়।এতে, এখন

স্পষ্ট ভাবে নির্বাচন কমিশনের উপর পক্ষ পাতের অভিযোগ ও উঠছে বর্গক্ষেত্রের বিতর্কে পশ্চিম

বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন২৭ মার্চ থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত আটটি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

বিজেপির সকল প্রবীণ নেতা এখানে প্রচারণা চালানোর জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন।

বিজেপি বারবার দুই শতাধিক আসন জয়ের দাবি করছিল।অন্যদিকে, মমতার নির্বাচনী

উপদেষ্টা প্রশান্ত কিশোর বলেছিলেন যে বিজেপি এই নির্বাচনে শতভাগও পাবে না।

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর প্রশান্ত কিশোরের মূল্যায়ন সঠিক প্রমাণিত হয়।

এই সময়ে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে

যান।এর পরেও তৃণমূলের একজন স্বীকৃত নেতা হিসেবে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন।

নির্বাচনবন্ধ করেই মমতাকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরানো যেতে পারে।এখন, সাংবিধানিক

কনভেনশন অনুসারে, একজন অনির্বাচিত ব্যক্তিকে মাত্র ছয় মাসের জন্য পদে থাকার অনুমতি

দেওয়া হয়।

নির্বাচন থামিয়ে মমতা কে থামাতে নির্বাচন কমিশন পক্ষপাত করছে

এই সময়ের মধ্যে তাকে যে কোন আসন থেকে নির্বাচনে জিততে হবে।এখন নির্বাচন বন্ধ করে

মমতা কে এই চেয়ার থেকে সরিয়ে দেওয়ার আলোচনা জোরদার হচ্ছে।প্র কৃত পক্ষে, করোনার

দ্বিতীয় তরঙ্গের মধ্যে বিক্ষোভের পরেও নির্বাচন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই নির্বাচন

কমিশনকে পক্ষ পাতিত্বের অভিযোগ করেছে।পেগাসাস মামলায় সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে

দ্বিমত পোষণকারী একজন নির্বাচন কমিশনারের ফোনে গুপ্তচর বৃত্তির কথা সামনে এসেছে।

এখন নির্বাচন থামিয়ে মমতা কে থামাতে নির্বাচনকমিশন পক্ষপাতিত্ব করছে, এমন আলোচনা

পশ্চিম বঙ্গে রাজ নৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু তে।করোনার অবস্থার উন্নতি সত্ত্বেও, পশ্চিম

বঙ্গের শূন্য আসনে উপনির্বাচন করার কোনো ঘোষণা না দেওয়ার কারণে নির্বাচন বন্ধ করে

মমতাকে সিংহাসন থেকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রয়েছে।অন্যদিকে, ভবানীপুরের

নির্বাচিত বিধায়ক শোভনদেব তার পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন এবং ইতিমধ্যে মমতা

বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য এই আসনটি খালি করে দিয়েছেন।এখানে তৃণমূল সমর্থকরা তাদের

নির্বাচনী প্রচারণা জোরেশোরে শুরু করেছে।

More from HomeMore posts in Home »
More from কলকাতাMore posts in কলকাতা »
More from বাংলাদেশMore posts in বাংলাদেশ »

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *