Press "Enter" to skip to content

বাঘ দেখা গেছে বেরমো কাছে রেল লাইন পেরোতে

  • কেউ তার মোবাইল দিয়ে এটির ছবি তোলেন

  • ছবিটি সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় ভাইরাল হয়ে যায়

  • স্টেশন ইনচার্জ লোকজনকে সাবধান হতে বলেছেন

বেরমোঃ বাঘ দেখা গেছে এই খবরটা ছড়িয়ে পরার পর থেকেই বেরমো এবং আশে পাশের

এলাকায় অনেক ধরনের কথার সাথে সাথে আতংকের সৃষ্টি হয়েছে। আসলে জঙ্গলে রাজার দেখা

পাবার কথা সেখানে থাকা কোন একজনের মোবাইলে তোলা ছবি থেকে ছড়িয়ে পড়ে। বাঘ

টিকে রেল লাইন পেরিয়ে বনের ভিতরে প্রবেশ করতে দেখা যায়। সেই সময় মোবাইলে এই ছবি

তোলা হয়। এই ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে সে বাঘ রেল লাইন পেরিয়ে অন্য দিকে চলে যাচ্ছে।

কাল সন্ধ্যা :00 টা ৪০ মিনিটে গোমো বরকাকানা রেলপথের বারমোয়ের বারওয়ার কাছে

রেলপথে জঙ্গলের রাজার এই দর্শন পাওয়া গেছে। রেললাইন দিয়ে ট্রেনে আসা যাত্রিতের ভিতরে

একজন তাড়া তাড়ি করে নিজের মোবাইলে এই দৃশ্য তুলে নিয়ে ভাইরাল করে দেয়। এই অঞ্চলে

বাঘ দেখা যাওয়ার সাম্প্রতিক সময়ে এটি প্রথম ঘটনা। কিছুকাল আগে গোলা এলাকার

লোকজনও ছিল একটা বাঘ দেখা গেল। এই বাঘ কিনা তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি

হঠাৎ আপনি কোথা থেকে এসেছিলেন? তবে বাঘ দেখার খবর বনের আগুনের মতো চার দিকে

ছড়িয়ে পড়েছে। তবে সাধারণতঃ বাঘের নিরিবিলি এলাকায় থাকা পছন্দ করে। বাঘ সাধারণত

ঘন বন এবং নির্জন অঞ্চলে বাস করে। কোলাহল পছন্দ নয় বলে তারা সাধারণত জনসংখ্যার

কাছাকাছি আসতে পছন্দ করে না কারণ মানুষের আওয়াজ তাদের স্ট্রেস দেয়। তবে রেলওয়ে

ট্র্যাকের এই বাঘটি এখানে দেখার পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে এলাকায় তাঁর উপস্থিতি

রয়েছে।

বাঘ রেলপথ পেরিয়ে যাওয়া সময় মোবাইলে ধরা পড়ে

কারোর মোবাইল ক্যামেরায় বন্দী রেলপথ পেরিয়ে বাঘের ছবিও স্থানীয় স্তরের তবে সঙ্গে সঙ্গে

তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। এই কারণে লোকদের এখানে সামলে এই এলাকার

বনে যেতে হবে। বনের রাজার উপস্থিতি সম্পর্কেও তথ্য পাওয়া যাওয়ার পরে এলাকায় বাঘের

আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। গেছে একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেছিলেন যে আমরা যখন রেল ট্র্যাক দিয়ে

যাচ্ছিলাম তখন কিছুটা দূরে তবে বাঘকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেল এবং কিছুক্ষণের মধ্যে

বাঘটি বনের পথে যাত্রা শুরু করল। এই ঘটনার জানার পরে গান্ধীনগর থানার ইনচার্জ মুকেশ

কুমার, জনগণকে সতর্ক করার সাথে সাথে রেলপথ দিয়ে যাওয়ার লোকদের সজাগ হওয়ার

জন্য আবেদন জানিয়েছেন।

More from HomeMore posts in Home »
More from নতূন খবরMore posts in নতূন খবর »
More from পরিবেশMore posts in পরিবেশ »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *