Press "Enter" to skip to content

ইউরোপের দেশে রপ্তানি হতে চলেছে মালদার আম

মালদাঃ ইউরোপের দেশে এবার যাবে মালদা আম। শুরু হয়েছে ইউরোপিয়ান ফুটবল

টুর্নামেন্ট। আর করোনা বিধি মেনেই ইউরোপের ছয়টি দেশে ফুটবলের সর্ববৃহৎ জনপ্রিয় এই

প্রতিযোগিতার আসর বসেছে। আর ইউরোপের সেই সব দেশে রপ্তানি হতে চলেছে মালদার

আম। ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ওয়েস্টবেঙ্গল এক্সপোর্টার কোর্ডিনেশন কর্তৃপক্ষ

বিদেশে এই আম রপ্তানির জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে । দিল্লি এবং মুম্বাই হয়ে মালদার সুস্বাদু

হিমসাগর লক্ষণভোগ আম্রপলি এবং দুটি জাতের আম রপ্তানি হবে আরব এবং ইউরোপের বেশ

কয়েকটি দেশে। যার মধ্যে রয়েছে ইংল্যান্ড, জার্মানি , ইটালি প্রমূখ । আর এইসব দেশেই পালা

করেই চলছে ইউরোপিয়ান ফুটবল টুর্নামেন্টের বিভিন্ন দেশকে নিয়ে প্রতিযোগিতা। যেখানে

হাজারো দেশ-বিদেশের খেলাপ্রেমী মানুষেরা ভিড় করছেন । সেই সব এলাকাতেই মূলত মালদার

আমের বাজার ধরার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ওয়েস্টবেঙ্গল এক্সপোর্টার্স

কোঅর্ডিনেশন কমিটির সম্পাদক উজ্জল সাহা। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার বিদেশে আমদানি

রপ্তানির ক্ষেত্রে সবরকম সহযোগিতা করছে। প্যাক হাউসের মাধ্যমে রপ্তানি হওয়া আমগুলি

প্যাকেটজাত করে বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু করে দেওয়া হয়েছে। মুম্বাই এবং

দিল্লির মাধ্যমে যারা মালদার আম আরব এবং ইউরোপের বাজারে এক্সপোর্ট করবেন তাদের

সঙ্গে চূড়ান্ত কথা হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েক কুইন্টাল আম মালদা থেকে দিল্লি মুম্বাই পাঠিয়ে

দেওয়া হয়েছে। দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে মালদার আম ইউরোপের বাজারে পৌঁছে যাবে।

মালদা ম্যাংগো মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার কালিয়াচকের লক্ষ্মীপুর

থেকে প্রায় তিন টন ল্যাংড়া আম ইংল্যান্ড ইতালি এবং জার্মানীতে পাড়ি দিচ্ছে। এই আম

কলকাতার একটি প্যাক হাউসে প্রক্রিয়াকরণ করে ইউরোপে পাঠানো হচ্ছে । মালদার হিমসাগর,

লক্ষণভোগ, মল্লিকা ,ফজলি জাতের সুস্বাদু আম পৌঁছে যাবে পর্তুগাল এবং সেখানে ইউরোপিয়ান

ফুটবল টুর্নামেন্ট চলছে। ওয়েস্টবেঙ্গল এক্সপোর্টার্স কোর্ডিনেশন কমিটির সম্পাদক তথা মালদা

ম্যাংগো মার্চেন্ট এসোসিয়েশনের সম্পাদক উজ্জল সাহা বলেন, এর আগেও বিদেশের বাজারে

পাঠানো হয়েছিল মালদার আম । কিন্তু এবছর বৃহৎ পরিমাণ আম বিদেশের বাজারে যাচ্ছে।

ইউরোপের দেশ ছাড়া আরব এলাকায় প্রথম বার যাবে

আমাদের লক্ষ্য রয়েছে ইউরোপিয়ান কাপ চলছে কয়েকটি দেশ জুড়ে। সেইসব দেশে এই আম

বিক্রি হতে গেলে ইউরোপের বাজার ভালোভাবে ধরা যাবে। এতে করে আমচাষীদের ক্ষেত্রে

অর্থনীতি অবস্থা অনেকটাই চাঙ্গা করে দিবে। এছাড়াও বিদেশের বাজারে মালদার আম বেশি

করে বিক্রি হলে তার প্রচারও পাবে এবং আগামীতে আম রপ্তানির ক্ষেত্রে চাহিদা বাড়বে। তবে

প্যাক হাউসে আম রাখার ক্ষেত্রে চাষীদের কাছ থেকে ১২ টাকা কিলোর বদলে ৪ থেকে ৫ টাকা

কিলো নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে রাজ্য সরকারের কাছে। এতে করে চাষীদের আর্থিক

দিক দিয়ে অনেকটা সমস্যার সমাধান হবে। জেলা উদ্যানপালন আধিকারিক কৃষ্ণেন্দু নন্দন

জানিয়েছেন, প্যাক হাউস ঠিকঠাক আছে। মালদা থেকে ইউরোপ, আমেরিকার, পথ সুগম

করতে সরকারি প্যাকিং করার খরচ কিছুটা কম আবার আবেদন জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা

এজন্য মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে ওয়েস্টবেঙ্গল এক্সপোর্টস কমেটি। এবছর মালদার বেশ কয়েকটি

সুস্বাদু জাতের আম সাগরপাড়ে পাড়ি দিচ্ছে।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *