Press "Enter" to skip to content

বিহার এসটিএফ দল আবার বড় সাফল্য পেয়েছে

  • মুঙ্গেরের অবৈধ অস্ত্র কারখানাটি ধরা পড়ে
  • পুলিশ সদর দফতর মনিটরিং করছিল
  • এক সপ্তাহ থেকে মুঙ্গেরে টীম নিযুক্ত ছিল

ভাগলপুর : বিহার এসটিএফ আবারও একটি বড় সাফল্য অর্জন করেছে | এবার এই দলটি

মুঙ্গেরে একটি বড় অবৈধ অস্ত্র কারখানায় এই মিনি বন্দুক কারখানায় প্রচুর ব্যবস্থা নেওয়ার

পাশাপাশি সেখানে প্রায় তিন ডজন লোকের বসবাসের ব্যবস্থাও ছিল| পুলিশ সদর দফতর

পাটনা এ সম্পর্কে কিছু গোপন তথ্য পেয়েছিল | এই তথ্যের ভিত্তিতে বিহারের ডিজিপি এসকে

সিংহল সেখানে বিহার এসটিএফ দল মোতায়েন করে ছিলেন | প্রাপ্ত তথ্য মতে এসটিএফ দল

মুঙ্গার প্রায় এক সপ্তাহ আগে এসেছিল | তিনি তার দায়িত্বগুলি অনুসরণ করছিলেন এবং সরাসরি

পুলিশ সদর দফতর থেকে তাঁর কাজ পর‌্যবেক্ষণ করা হচ্ছে | অনুরূপ প্রয়াসে মুঙ্গের জেলার

শ্যামপুর থানা এলাকার পাহাড়ি এলাকায় একটি মিনি বন্দুক কারখানায় অভিযান চালানো হয় |

কারু মণ্ডল নামে একজনকেও সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে | তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা

ছাড়াও অন্যান্য অভিযানের ধারা অব্যাহত রয়েছে খবর লেখা পর‌্যন্ত |

বিহার পুলিশের সহায়তার জন্য বাহনের ব্যবস্থা

সেখান থেকে ১৮ টি হস্তনির্মিত মেশিন, ৭টি হ্যান্ডবেস মেশিন, ১৩ টি দেশীয় রিভলবার, ১৭ টি

আধা তৈরি দেশীয় পিস্তল, ২৬ টি ম্যাগজিন, ১৭টি আধা উত্পাদিত ব্যারেল, ৮ পিস ৱুলেট এবং

দুটি মোবাইলও জব্দ করা হয়েছে | এ ছাড়া অবৈধ অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত অন্যান্য সরঞ্জামও

সেখানে পাওয়া গেছে| সবচেয়ে বড় বিষয় হ’ল এই অবৈধ অস্ত্র উত্পাদন কারখানাটি এমনভাবে

পার্বত্য অঞ্চলে চলছিল, যেখানে কোনও পরিবহণের ব্যবস্থা নেই | গাড়িতে করে সেখানে

যাওয়ার কোনও উপায় নেই | এই অঞ্চলে ২৫ থেকে ৩০ জনের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল |

এটা পরিষ্কার যে এই মিনি বন্দুক কারখানায় নির্বিচারে বিপুল পরিমাণে অস্ত্র তৈরি করা হত |

সাধারণ নাগালের হাত থেকে দূরে থাকায়, এতে নিযুক্ত লোকেরা সাধারণ ভাবে কোনও সমস্যায়

পড়েনি | অভিযানে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার হওয়ার পরে জেলা পুলিশের সহায়তায় সেখানে অতিরিক্ত

যানবাহনের ব্যবস্থা করা হয় | যাতে সেখান থেকে উদ্ধারকৃত উপকরণগুলি জেলা সদরে আনা

যায়| প্রাপ্ত তথ্য মতে, বিহার এসটিএফ দলও থানা এলাকার সর্বশেষ কৌশলটি গ্রহণ শুরু

করেছিল |এই অঞ্চলের পুরো ভৌগলিক অবস্থান বোঝার পরেই পুরো প্রস্তুতি নিয়ে এই অভিযান

চালানো হয়েছিল, যেখানে সাম্প্রতিক সময়ের বৃহত্তম মিনি বন্দুক কারখানাটি ধরা পড়েছিল |

More from অপরাধMore posts in অপরাধ »
More from নতূন খবরMore posts in নতূন খবর »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *